Thursday, January 29, 2015

what is tsu .tsu কি? কেনো ব্যাবহার করবেন? আর এর থেকে কিভাবে আয় করবেন!


tsu হচ্ছে ফেবু (fb) এর মতোই একটি social সাইট। তবে ফেবু ব্যাবহারে আপনি কোনো টাকা না পেলেও tsu থেকে পাবেন।তারা তাদের ৯০% আয়ই ব্যাবহার কারিদের দিয়ে দেয়। like,comment,share,followers, friends এসব কিছুই আছে tsu তে। আপনার বন্ধুদের ৫০% আয় আপনি পাবেন tsu থেকে। আর মাধ্যমে আপনি ফেবু র মতই সুবিধা পাবেন। তবে নুতুন সাইট হওয়ায় কিছু সুযোগ সুবিধা কম পাবেন ফেবুর চেয়ে। এখানে ৭ দিনে সর্বচ্চো ৫০ রিকুয়েস্ট পেনডিং  রাখতে পারবেন পারবেন। আপনের বন্ধুর বাইরে অন্যদের বেশি টেক্সট করলে আপনি ১ দিনের জন্য কাওকে টেক্সট পাঠাতে পারবেন না। যেহেতু এখানে বসে বসে আয় করতে পারছেন টাই এটা ব্যবহার করাই ভাল।
Tsu থেকে কিভাবে মাসে $40 ডলার আয় করবে শুধুমাত্র Tsu ব্যাবহার করে!!
১। 2500 বন্ধু বানানোর চেষ্টা করবেন।
২।রেফারেল দিয়ে অন্য বন্ধুকে TSU তে জয়েন করাবেন!
৩। প্রতিদিন 10 পোস্ট দিন।
৪।আপ্নার বন্ধুদের পোস্ট  শেয়ার দিন (৭ টি রোজ )
৫। আপনার বন্ধুদের পোস্টে কমেন্ট করুন এবং লাইক দিন ( ৫০ টি)।
৬। নিজের পোস্টে অন্যকে কমেন্ট, লাইক এবং শেয়ার দিতে বলুন।
৭।। যেসব পোস্টে বেশি লাইক কমেন্ট আছে সেসব পোস্টে লাইক কমেন্ট করুন।
৮। যাদের বেশি বন্ধু আছে আর আয় বেশি তাদের request দিন। কারন তাদের ৫০% আয় আপনি পাবেন।নোটঃ আপনার প্রতিদিন এর ডলার প্রতিদিন জমা হতে থাকবে। এক মাস পর দেখবেন আপনার $4০ জমা হয়ে গেছে !!
এখানে একাউন্ট করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কারো রেফারেলে অথবা কারো ইনভাইটেশন এর মাধমে জয়েন করতে হবে!!
Your Joining Link: http://www.tsu.co/anikalam
আমার আয়ের পরিমাণ দেখুন।বিস্তারিত জানতে এখানে যান https://www.tsu.co/faq

এবার যেকোন মোবাইল দিয়ে করুন ফেসবুক সিঙ্গেল নাম ১০০% কাজ করবে। [ইস্কিনসট সহ দেখুন


সবাইকে সুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি । কেমন আছেন আপনারা ? টেকটিউনস™ এর সাথে থাকলে তো ভাল থাকার কথা ! যাহোক আর কথার বুলি ফোটাবো না ! চলুন শুরু করা যাক !

আজ আমি দেখাবো কিভাবে আপনার ফেইসবুক আইডির নাম সিঙ্গেল করবেন। প্রথমে Java & Symbian মোবাইল ব্যবহার কারিরা Uc টা ডানলোড করুন, কারণ আমি এটা দিয়ে সফল হয়েছি।
ও এন্ডুয়েড ব্যাবহার কারীরা এখান থেকে Uc ডানলোড করুন।
তারপর Uc টা Open করুন এই সেটিং টা নিচের Sshort অনুযায়ী করুন অথবা আমাকে ফলো করুন। সেটিং এ ক্লিক করুন।
Image-1
এবার Network এ ক্লিক করুন।
Image-2
এবার Proxy Server এ ক্লিক করুন।
Image-3
এবার এই বক্সে মানে
Image-4
223.164.250.78:8080
m.facebook.com
ঠিক এভাবে দিন ভুল করবেন না। নোটঃ কিছু দিন পরপর এই Proxy টা পরিবর্তন হয় তাই উপরের Proxy টা যদি কাজ না করে এই Proxy গুলো ব্যাবহার করবেন।
202.53.254.34:3128 180.250.88.170.3218 202.77.111.218:8080 222.124.189.93:8080
এবার ফেইসবুকে লগিন করুুন তারপর Setting & Privacy→ General → language → Bahasa Indonesia সিলেক্ট করুন।
Image-5
Image-6
Image-7
এবার ভাষা পরিবর্তণ হয়ে গেলো । তারপর আবার Pengaturan and Privasi মানে Setting and privacy তে যান।
Image-8
Image-9
তারপর Umum মানে name setting তারপর nama ক্লিক করুন ।
Image-11
তারপর প্রথম বক্সে আপনার কাঙ্খিত সিঙ্গেল নামটা লিখুন।
Image-12
তারপর আপনার পাসওয়ার্ড দিয়ে সেভ দিন । ব্যাস আপনি সফল হয়েছেন।
Image-13
আপনি ইন্দোনেশিয়া ভাষা থেকে ইংরেজি তে যেতে চাইলে pengaturan & privasi>umum>bahasa>English করে দিন
Image-14
Image-15

অনলাইনে আয় করতে চান? যা জানেন তাই দিয়েই আয় শুরু করুন Fiverr.com থেকে।


সবাই কে  শুভেচ্ছা। Freelancing সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। আমরা অনেকেই বেশিরভাগ  Odesk, Elance and peopleperhour এর সাথে পরিচিত.....কিন্তু আমি আজকে আপনাদেরকে অন্য একটি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে বলবো......এইটার নাম হচ্ছে
Fiverr.com
যারা নতুন কাজ শিখছেন.........পাশাপাশি কাজ করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য খুবই ভালো একটা মার্কেট প্লেস ।
ফাইভার হচ্ছে এমন একটি সাইটে যেখানে আপনি ৫ ডলারের বিনিময়ে যেকোন কাজ করার জন্য বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। যেকোন বলতে,আপনি যা করতে পারবেন সেগুলোই।আপনি  যেকোন কাজের বিজ্ঞাপন  দিতে পারেন তবে সবগুলোই ৫ ডলারের বিনিময়ে।এগুলো ছাড়াও নিয়মিত যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন তাদের জন্যও আছে আলাদা বিভাগ।সেসব বিভাগে প্রোগ্রামিং,লোগো বানানো,আর্টিকেল এসব এর বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।
উল্লেখ্য ফাইভারে এই বিজ্ঞ্বাপনকে গিগ নামে আখ্যায়ত করা হয়।
এইখানে খুব সহজেই কাজ পাওয়া যায়......তাহলে চলুন এবার Fiverr.com Website টা একটু দেখে আসা যাক । Website ভিজিট করতেhttp://www.fiverr.com এই লিংক এ প্রবেশ করুন । নিচের ছবির মতো Website দেখতে পাবেন আপনারা।
এখন আপনি কোন SERVICE SELL করতে চাইলে আপনাকে তাদের MEMBER হওয়া লাগবে.....তাই MEMBER হতে উপরের দেখানে লাল আংশে CLICK করুণ । এখন নিচের মতো একটি পেজ আসবে.
এইখানে আপনি চাইলে Facebook মাধ্যমে Join করতে পারেন আর পরের Option হচ্ছে আপনার যদি অলরেডি কোন Account থেকে থাকে তাহলে Sign In করতে বলছে......আর লাস্টটি আপনাকে E-mail এর মাধ্যমে Sign Up করার কথা বলছে আমরা আজকে E-mail এর মাধ্যমে সাইন অপ করা দেখবো.....
YOUR EMAIL: এইখানে আপনার Personal Email দিবেন । একটি Email আইডি দিয়ে একটিই মাত্র Account করা যায় । তাই কারো দরকার হলে আপনি নতুন করে একটি Email আইডি বানিয়ে তারপর   Sign Up করুন।
CHOOSE A USERNAME: একটা নাম পছন্দ করতে বলে যেটা আপনার PROFILE NAME হিসাবে দেখাবে।
CHOOSE A PASSWORD: আপনার পছন্দ মতো PASSWORD দিন । তবে Letter and Number দুইটার সংমিশ্রন থাকা লাগবে। Example: PPPPPPP989898  এই রকমের।
5+8=   13 এইটা Answer তবে একেক সময় একেকটা সংখ্যা দিবে। আপনি দুইটা সংখ্যা যোগ করে বষিয়ে দিবেন ।
এখন Join এ ক্লিক করেন। তাহলে তারা আপনাকে একটা E-mail পাটাবে আপনার Email Address এ । আপনি আপনার email চেক করে সেইটা verification করে নিবেন ।
Join এর পালা শেষ । Verification Complete করার পর আপনি Sign In করতে পারেন অথবা আপনি আগে থেকেই  Sign In হয়ে থাকতে পারেন। এইটা কোন সমস্যা না....আপনি যে  Verification Complete করলেন তখন এইটা Sign In হয়েছে।
Sign In হয়ে গেলে নিচের ছবির মতো দেখতে পারবেন
এইখানে প্রথম Option টি হচ্ছে HOME। দ্বিতীঢ টি TO DO । তারপর MESSAGE ICON। তারপর SHOPPING। তারপর SALES। সবশেষটি হচ্ছে আপনার PROFILE।
HOME : আপনি অন্য কোন পেজে থাকেল HOME এ ক্লিক করলে মেইন পেজ এ চলে আসবেন। উপরে যে Page দেখছেন সেইটাই মেইন পেজ
TO DO  : কেউ যদি আপনাকে কাজের আডার দেয় তাহলে 1টি কাজের আডার এ  TO DO তে 1 লেখা আসবে। অনেক সময় ব্যক্তিগত মেসেজ এও TO DO তে 1 লেখা দেখাই....সংখ্যাটা যত গুলো কাজের অর্ডার অথবা যতগুলো Un-read মেসেজ আছে তার ওপর ভিত্তি করে পরিবতন হবে। নিচে ছবির মতো দেখবেন আপনারা:
MESSAGE ICON এ বায়ার আপনাকে মেসেজ দিলে অথবা কোন কাজের Invitation দিলে আপনি সেইটা দেখতে পারবেন....সাধারণ সময়ে MESSAGE ICON টি কাল থাকে.....কিন্তু কোন নতুন অনরিড মেসেজ অসলে আপনি সেইটা নিচের ছবির মতো দেখতে পারবেন।
আপনার একাউন্টে যদি $$$ থাকে তাহলে আপনি তাদের থেকে আপনার প্রয়োজনের Service কিনতে পারবেন SHOPPING এ ক্লিক করে।
SALES: সাধারণ সময়  SALES অপশনটি শুধু SALES ই লেখা থাকে কিন্তু আপনি যদি Ranking e #1 হন তবে নিচের ছবির মতো দেখাবে
এর পরেরটি আপনার প্রোফাইল লিংক
আপনার প্রোফাইল এ মাউস নিয়ে গিয়ে রাখলে একটি ড্রপডাউনমেনু অসবে সেখান থেকে settings এ  click করেন।
তাহলে একটা পেজ আসবে.....সেখান থেকে আপনাকে Profile Photo upload করা লাগবে। তারপর Something About You এইখানে আপনি কী কী পারেন কত বছরের অভিজ্ঞতা সব কিছু দিবেন। তারপর নিচে Save Change এ click করবেন। প্রোফাইল সাজানো কাজ শেষ।
এখন আপনাকে আপনার Service SELL করতে হলে আপনাকে একটি Gig Create করা লাগবে। Gig Create করতে আপনাকে SALES এ ক্লিক করা লাগবে তাহলে এই রকম একটি পেজ ওপেন হবে।
উপরের পেজের মতো আসলে  Red color দিয়ে MARK করা অংশে ক্লিক করবেন / Create Gig এ ক্লিক করবেন । ক্লিক করলে নিচের মতো একটা পেজ ওপেন হবে। ছবিটি একটু বড় ......
এই পেজ আসলে প্রথমেই পাবেন  Gig Title:
I will এই লেখাটা সব সময়ই থাকবে বাকিটা আপনাকে লেখা লাগবে। যেমন: I will do psd to html in 24 hours
এইখানে কোন বড়হাতের অক্ষর ব্যবহার করবেন না। আপনার  Gig Title 80 অক্ষর মধ্যে থাকতে হবে। 50 এর উপরে না গেলেই ভাল।
Category : Select A Category তে ক্লিক করলে অনেক অপশন আসবে আপনি দেখে নিবেন আপনি যে Gig দিয়েছেন সেটা কোন ক্যাটাগরির । PSD to html..............Programming and Tech এর মধ্যে পাবেন। এই ভাবে আপনাদের প্রয়োজন অনুসারে ক্যাটাগরিতে  Gig দিবেন।
Gig Gallery:  এইখানে আপনি একটি  Gig Related Photo Upload করবেন । Photo size 2 Mb এর মধ্যে হওয়া লাগবে। Photo এর Width :682 px and Height :459 px এর কম হলে Upload হবে না। ছবির জন্য আপনি google images search করে ছবি দিতে পারেন । কোন সমস্যা নেই ।
Description: আপনার  Gig সম্পর্কে লেখা লাগবে । আপনার কাজের অভিজ্ঞতা কী কী। কী কী কাজ পারেন। আপনি আপনার এই Gig এর মাধ্যমে কী কী অফার করছেন। এইগুলো
Tag: Tag হচ্ছে বায়ার যাতে সাচ দিলে আপনার Gigটি দেখায় তাই সেই ধরনের  Tag বসাইতে হয় । 5টার বেশি বসানো যাবে না। আপনি যে কাজের জন্য Gig দিচ্ছেন... Tag সেই কাজের রিলেটেড হওয়া লাগবে।
Duration: আপনি কাজটি কত দিনের মধ্যে Complete করবেন সেইটা এইখান থেকে দিতে হয় । নতুন অবস্থায় 1 দিন দেওয়া ভাল । আপনারা আপনাদের প্রয়োজন মত সময় দিতে পারেন।
Instruction for Buyer : এইখানে বায়ার কে আপিনি কিছু নির্দেশনা দিতে পারেন যেমন......আপনার যদি PSD to TML এর   Gig হয় তাহলে Instruction হিসেবে দিতে পারেন যে: আমি কিন্তু এইটা একটা উদহারণ হিসেবে দিলাম। আপনারা সবাই নিজের  Gig রিলেটেড প্রয়োজনীয় সবকিছু চেয়ে নিবেন।  when you place an order please submit this information:
  1. Submit your PSD file that you want to convert.
  2. If you have any other images that you want to use in your web template.....please give me. Images must be in PNG format.
এখন সবগুলো কমপ্লিট হয়ে গেলে  নিচের মতো বাটনে ক্লিক করেন।
এইবার পরের ধাপে আপনি এই রকম দেখতে পাবেন
Video-fy your Gig and get more sales.
আপনি আপনার ওয়েবক্যাম দিয়ে আপনার Gig এর Offer গুলো ভিডিও করে সেটা অপলোড করতে পারেন। তবে ওয়েবক্যাম এর সামনে বসে Video করতে হবে আর মুখে বলা লাগবে Offer গুলো ।
আর যদি Video অপলোড করতে না চান তবে নিচে skip লেখাতে ক্লিক করেন।
আপনাদের তারপর নিচের Screen এর মতো আসবে
আপনি এই খানে NO THANKS এ Click করবেন ।
NO THANKS এ Click করার পর আপনি নিচের মতো স্কিন দেখতে পাবেন
PUBLISH GIG এ CLICK করলেই আপনার  GIG টি PUBLISH হয়ে যাবে।
এই রকম ভাবে আপনারা অনেকগুলো Gig create করে রাখতে পারেন ।
আপনি ইচ্ছে করলে বায়ারদেরকে কাজের জন্য অফার করতে পারেন এই জন্য আপনাকে SALES এ CLICK করে নিচের পেজ আসবে এবং নিচের পেজ এ Mark করা অংশতে ক্লিক করা লাগবে।
এইখান থেকে আপনি আপনার পছন্দ মতো কাজ এ... কাজের Offer পাঠাতে পারেন। প্রতিদিন আপনি একটি করে কাজের Offer দিতে পারবেন। বায়ার আপনাকে মেসেজ দিলে আপনার মেসেজ আইকন এ সবুজ কালার হয়ে থাকবে এবং আপনার ইমেইল এ একটা মেইল আসবে।
আপনি কোন কাজ পাওয়ার পর যদি কাজটি  Delivery দেন এবং আপনার বায়ার Accept করে তাহলে নিচের ছবির মতো দেখতে পারবেন
বায়ার কাজা Accept করলে সাথে সাথে আপনার একাউন্টে 4 ডলার যোগ হবে । আর 1 ডলার হচ্ছে ফি । এই 4 ডলার 15 দিন পর আপনি তুলতে পারবেন।
বায়ার আপনার কাজটি Reject করলে আপনাকে Buyer কিছু Modification করতে বলবে সেইটা করে পুনরায় আবার Order delivery করেন
Order Delivery করার  3 দিনের মধ্যে buyer order Reject না করলে 3 দিন পর Automatic Delivery Done হয়ে যাবে ।
আপনার কাজটি যদি অনেক বড় হয় তাহলে বায়ার অডার দেওয়ার পর পরই আপনি তাকে বলবেন তোমাকে আরো 2-3 Gig কিনা লাগবে কাজটি করানোর জন্য.....2-3 এইটা একটা উদহারণ কিন্তু.... আপনারা আপনাদের প্রয়োজন মতো চাইবেন ।
1 Gig = 5 ডলার ( প্রতি Gig 1 $ ফি)
টাকা 2 ভাবে তোলা যায়
1। পেপাল
2। পেওনিওর এর মাস্টারকাড এর মাধ্যমে
প্রথম মাসে সম্পূণ মাস একটিভ থেকে যদি 10 টি Service Sell করতে পারেন....ভালো Feedback সহ তাহলে আপনাকে তারা লেভেল #1 এ প্রমোট করবে....তখন প্রতিদিন মিনিমাম 2-6 টা কাজ পাবেন ই।
2 মাস সম্পূণ একটিভ থেকে যদি 50 টি Service Sell করেন ভালো Feedback সহ তাহলে তারা লেভেল #2 তে প্রমোট করবে আপনাকে ।
আপনি কয়টি কাজ করেছেন কয়টি কাজ Delivery দিয়েছেন সেইটা দেখতে নিচের ছবির মতো অংশ থেকে Revenues এ করেন or Fiverr Revenue Card এ ক্লিক করেন।

আজ এ পর্যন্তই, দেখা হবে আগামী কোন টিউন এ। সে পর্যন্ত ভাল থাকুন, এই কামনাই করি।

অনলাইন থেকে ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করার সাইটগুলোর লিস্ট নিয়ে নিন আসা করি কাজে লাগবে (নতুনদের জন্য)


 আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিছু সাইট যে সাইটগুলো থেকে ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন আমি জানি এই সাইট গুলো নিয়ে আগে ও টিউন করা হয়েছে কিন্তু সেগুলো করা হয়েছে আলাদা আলাদা ভাবে তাই আমি আপনাদের একটু লিস্ট আকারে সাইট গুলোর নাম দিচ্ছি । আপনি পার্ট সময় দিয়ে মাসে একটা ভাল পরিমাণের ইনকাম করতে পারবেন । ভাল পরিমাণে বলতে আপনার মাসের পকেট খরচের টাকা ।আর এই সবগুলো সাইটে অনলাইনে অনেক দিন ধরে পেমেন্ট করছে তাই সাইট গুলো খুবি বিশ্বস্ত সাইট ।
1. Microworkers
Microworkers সাইটে দিনে ২-৩ ঘণ্টা সময় দিয়ে ইনকাম করতে পারেন। আপনার account এ যখন ৯ ডলার হবে তখন এরা আপনাকে money withdraw করতে দিবে। তবে প্রথমবার আপনার বাড়ির ঠিকানা verify করবে। এরা payza,skrill এ payment করে তাই বাংলাদেশ থেকে সহজেই এদের টাকা নিতে পারবেন।
2. Rapidworkers
Rapidworkers সাইটটি Microworkers মত । তবে এরা আপনাকে পেমেন্ট দিবে আপনার আকাউন্টে ৪ ডলার হলেই আর এর জন্য আপনাকে কোন Address Verify করতে হবে না । এরা আপনাকে payza,paypal মাধ্যমে পেমেন্ট করবে ।
3. Jobboy
Jobboy সাইটটি Microworkers মত এখান থেকে ও ছোট ছোট কাজ করে আপনি ইনকাম করতে পারেন। আপনার আকাউন্টে যখন ১০ ডলার হবে তখন এরা আপনাকে payza,paypal মাধ্যমে পেমেন্ট করবে । তবে এই সাইেট একটা বড় সুবিধা হল Microworkers মত Address Verify করার কোন ঝামেলা নাই।
4.  Gosignups
gosignups এমন একটি অনলাইন ভিত্তিক সাইট এখান থেকে শুধুমাএ বিভিন্ন  সাইট এ সাইন আপ এর মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারেন । যারা অনলাইনের তেমন কোন কাজ পারেন না তারা এই সাইট আ কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন । তবে একটা সমস্যা আছে এরা শুধুমাএ paypal payment দেয় তাই যাদের paypal account  আছে তারা শুধু payment  নিতে পারবেন ।
5. Likesplanet
ফেসবুক ব্যবহার করার পাশাপাশি Likesplanet থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। আপনার account এ যখন ২ ডলার হবে তখন এরা আপনাকে money withdraw করতে দিবে। এরা আপনাকে payza,paypal মাধ্যমে পেমেন্ট করবে ।
6. Neobux
Neobux সাইটি ও অনলাইনে খুবি বিশ্বস্ত একটি সাইট এখান থেকে আপনি খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন । Neobux আপনাকে payza,paypal,neteller মাধ্যমে পেমেন্ট করবে। আপনার একাউন্টে ২ ডলার হলেই আপনি withdraw করতে পারবেন।
7. Cashnhits
Cashnhits সাইটি Online এ অনেক পুরাতন একটি সাইট । এরা সেই ২০০৯ সাল থেকে পেমেন্ট করে আসছে । এই সাইট থেকে আপনি মাসে ২০ থেকে ২৫ ডলার যা বাংলাদেশী প্রায় ১৫০০ থেকে ১৮৭৫ টাকা ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজেই এর জন্য আপনার কোন বিশেষ দক্ষতা লাগবে না । আপনি শুধু অন্যদের সাইটে সাইন আপ এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । এরা আপনাকে  ১ ডলার হলেই payza অথবা paypal এ পেমেন্ট করবে ।
8. Clixsense
Clixsense সাইটি Online এ অনেক পুরাতন একটি সাইট । এরা সেই ২০০৭ সাল থেকে পেমেন্ট করে আসছে । তবে এই সাইট থেকে প্রথমে ইনকাম খুবই কম কিন্তু যদি একটা গ্রুপ হয়ে কাজ করেন তাহলে ভাল ইনকাম করতে পারবেন । এরা আপনাকে ৮ ডলার হলে পেমেন্ট করবে paypal মাধ্যমে ।
9. Paidverts
Paidverts থেকে আপনি অতি সহজেই আয় করতে পারবেন কোন টাকা খরচ না করে। সাইটটি পিটিসি এর ক্যাটাগরিতে পরলেও অন্য সব পিটিসি সাইট থেকে সম্পুর্ন আলাদা। Paidverts আছে অনেকগুলো পেমেন্ট মাধ্যম payza,paypal তো আছে ই । আপনার একাউন্টে ২ ডলার হলেই আপনি withdraw করতে পারবেন।
10. Fansalve
Fansalve থেকে  আপনি ফেসবুক লাইক , টুইটার ফলো মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । তবে এখান থেকে আপনি Euro ইনকাম করতে পারবেন  । আপনি ১৫ Euro হলেই PayPal বা Payza এর মাধ্যমে withdraw করতে পারবেন।
আশা করি অনেকগুলো ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করার মত সাইট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন । সবাইকে ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য ।

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে ১০টি ভুল ধারণা।


ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন বর্তমানে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। বিভিন্ন সুত্র থেকে যারা এবিষয়ে খোজখবর নিচ্ছেন তারা প্রায়ই কিছু ভুল ধারনার শিকার হন।  একাজে হাত দেয়ার আগে ভুল ধারনাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।
খুব সহজেবিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেটে আয় করা যায়
এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি আশা করছেন একজন চাকুরীজীবী কিংবা ব্যবসায়ীর থেকে বেশি আয় করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না এটা বাস্তবসম্মত হতে পারে না। ইন্টারনেটে যে পদ্ধতিতেই আয় করুন না কেন, আপনাকে যথেস্ট সময় এবং মেধা ব্যয় করতে হবে।
ইন্টারনেটে আয় করা সকলের পক্ষে সম্ভব না
এটা আরেকটা বড় ভুল ধারনা। ইন্টারনেটে কাজ বলতে যেমন দক্ষ প্রোগ্রামিং বুঝায় তেমনি তুলনামুলক সহজ গ্রাফিক ডিজাইন বুঝায়, কিংবা আরো সহজ ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। যে কোন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে মানানসই কাজ খুজে নেয়া সম্ভব। তবে একথা অবশ্যই ঠিক, দক্ষতা যত বেশি আয়ের সুযোগ তত বেশি। দক্ষতা যেহেতু বাড়ানো যায় সেহেতু সুযোগও বাড়ানো যায়।
পেইড-টু-ক্লি (PTCসহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতি 
 পিটিসি হচ্ছে কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা হবে। বিষয়টি সত্যি। তবে যতটা প্রচার করা হয় ততটা না। আপনি কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। কাজ করে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
ইন্টারনেটে আয় করতে নিজের খরচে ওয়েবসাইট তৈরী করতে হয়
একেবারে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরী, ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর খরচ ছাড়াই সব কাজ করা সম্ভব। তবে নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং সবসময়ই ভাল।
ক্রেডিট কার্ড বা পে-পল একাউন্ট নেইফলে একাজ সম্ভব না 
কিছুটা সত্যি। ক্রেডিট কার্ড থাকলে কাজের সুবিধে হয়, পে-পল একাউন্ট থাকলেও সুবিধে হয়। তারপরও মানুষ কাজ করছে এগুলি ছাড়াই। অন্য যে পদ্ধতিগুলি রয়েছে সেগুলি ব্যবহার করে কাজ করা সম্ভব।
অনেকগুলি সাইটে অনেকগুলি এডসেন্স ব্যবহার করলে আয় বেশি
এডসেন্সে লাভ দেখে অনেকেই একাধিক এডসেন্স একাউন্ট ব্যবহারে আগ্রহি হন। এটা ভুল পথ। গুগল কোনএকসময় সেটা ধরে ফেলবে এবং সবগুলি একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEOসফটঅয়্যার ব্যবহার করলে দ্রুত আয় বাড়ে
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে অবশ্যই সাইটের পরিচিতি বাড়ে কিন্তু এডসেন্সকে টার্গেট করে যদি সেটা করেন তাহলে গুগল সেটা পছন্দ করে না। গুগল এমন সাইটে লাভজনক এডসেন্স বিজ্ঞাপন দেয় সেখানে ভিজিটর নিজে আগ্রহি হয়ে যায়। ফলে কোন সাইটে প্রতি ক্লিকে পাওয়া যায় কয়েক সেন্ট, কোন সাইটে কয়েক ডলার।
ইন্টারনেটে আয়ের জন্য কোন খরচ নেই
বিনামুল্যের সবসময়ই কিছু খারাপ দিক থাকে। ভাল হোষ্টিং, প্রয়োজনীয় সফটঅয়্যার, প্রচারের জন্য এডওয়ার্ডস বিজ্ঞাপন সবকিছুই ভাল আয়ের সহায়ক।
ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখা নেই
অনেক সেবার ক্ষেত্রেই অনেক দেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশে যেমন পে-পল ব্যবহার করা যায় না, ক্লিক ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায় না, কোন কোন সাইটে ঢোকা যায় না ইত্যাদি। কোন সেবা কোনদেশে প্রযোজ্য আগে জেনে নেয়াই ভাল।
ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করতে হয় শেখার জন্য কোর্স করা প্রয়োজন
আপনি যখন আয় করতে চান ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন শেখার জন্যও ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যায়গা। যে বিষয়ই জানতে চান না কেন, ইন্টারনেট সার্চ করলে তথ্য পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সদস্য হোন, ফোরামে যোগ দিন, সেখানকার বক্তব্যগুলি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সেখানে সমস্যার কথা জানান। কেউ না কেউ উত্তর দেবেন।
এই পোষ্টটি নতুনদের জন্য উৎসর্গ করা হল।
আজ এ পর্যন্তই, দেখা হবে আগামী কোন টিউন এ। সে পর্যন্ত ভাল থাকুন, এই কামনাই করি।